ঢাকা, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, , ২ রমজান ১৪৪২
Reg:C-125478/2015

ধর্ম সংবাদ

Thumbnail [100%x225]
আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল থেকে রোজা শুরু

বাংলাদেশের আকাশে আজ চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল বুধবার থেকে ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হবে। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) রাতে তারাবি নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহরি খেয়ে বুধবার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা

Thumbnail [100%x225]
২০৩০ সালে রমজান মাস হবে দুইটি

আর মাত্র একদিন পরই শুরু হবে আত্মশুদ্ধি ও সিয়াম-সাধনার মাস রমজান। বছরের এই একটি মাসে আমরা আমলের মাধ্যমে সওয়াবকে ৭০ গুণ বাড়িয়ে নিতে পারি। ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বছরে একবারই আসে রমজান মাস। কিন্তু কেমন হবে যদি বছরে দুইটি রমজান মাস হয়? হ্যাঁ- আগামীতে এমনই একটি বছর আসবে যেটিতে রমজান মাস হবে বছরে দুইবার।  চন্দ্র বিশেষজ্ঞ মিনহাল খানের বরাতে দ্য

Thumbnail [100%x225]
কোরআন পাঠের সময় প্রশান্তি নেমে আসে

কোরআন আল্লাহর কালাম। কোরআন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। এটি আল্লাহর জীবন্ত নিদর্শন। এই কোরআন পাঠের সময় ‘সাকিনা’ (প্রশান্তি) নাজিল হয়। এই প্রশান্তি আত্মিক। এই প্রশান্তি হৃদয় দিয়ে অনুভব করা যায়। কখনো কখনো বিষয়টি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। বারা ইবনে আজিব (রা.) বলেন, রাসুল (সা.)-এর যুগে এক ব্যক্তি সুরা কাহফ পড়ছিল। সে সময় তাঁর কাছে মজবুত লম্বা দুটি রশি দিয়ে

Thumbnail [100%x225]
ওয়াকফ করার শর্ত ও পদ্ধতি

ওয়াকফ শুধু মুসলিমদের বৈশিষ্ট্য। রাসুল (সা.)-এর সাহাবিদের যাঁদেরই সামর্থ্য ছিল তাঁরা সবাই ওয়াকফ করেছেন। ওয়াকফের শাব্দিক অর্থ কোনো কিছু আটকে রাখা, উৎসর্গ করা। আর পারিভাষিক অর্থে, বস্তুর মূল স্বত্ব ধরে রেখে (মালিকানায় রেখে) এর উপকারিতা ও সুবিধা প্রদান করা। ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে ভারতের মুসলমান ওয়াকফ বৈধকরণ আইনে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী ওয়াকফ অর্থ কোনো

Thumbnail [100%x225]
অহংকার ও দাম্ভিকতা পতন ডেকে আনে

‘অহংকার পতনের মূল’—এ কথা প্রচলিত। নৈতিক মূল্যবোধের জায়গা থেকে এটি যেমন সত্য, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এ কথা প্রমাণিত যে অহংকার ও দাম্ভিকতা পতন ডেকে আনে। আত্ম-অহমিকা, দাম্ভিকতা ও অহংকার গর্হিত অপরাধ। অহংকারী মানুষকে আল্লাহ খুব অপছন্দ করেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ) অহংকারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ২৩) মহান আল্লাহর

Thumbnail [100%x225]
গুনাহ হয়ে গেলে করণীয়

মানুষ সৃষ্টিগতভাবে এমন স্বভাব ও বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে তৈরি যে তাদের দ্বারা পাপ হতেই পারে। বরং এ ব্যাপারে পরিষ্কার ঘোষণা আছে যে একমাত্র নবীরা ছাড়া কোনো মানুষই পাপমুক্ত নয়। কাজেই গুনাহ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে অস্বাভাবিক ও আশ্চর্যের বিষয় হলো গুনাহর পর তার জন্য অনুতপ্ত না হওয়া এবং আল্লাহর দিকে ফিরে না আসা। আল্লাহর নাফরমানি করার পর অনুতপ্ত

Thumbnail [100%x225]
রোগব্যাধি আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা

দুনিয়াবি কষ্টগুলো এক ধরনের পরীক্ষা। আল্লাহ কখনো সুখ-শান্তি দিয়ে পরীক্ষা করেন, আবার কখনো রোগব্যাধি দিয়ে পরীক্ষা করেন। আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি তোমাদের মন্দ ও ভালো দিয়ে পরীক্ষা করে থাকি এবং আমাদের কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৩৫) ইবনে আব্বাস (রা.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, ‘ভালো-মন্দের মাধ্যমে পরীক্ষা করার অর্থ হলো কষ্ট-সুখ,

Thumbnail [100%x225]
নবী-রাসুলদের কর্মস্পৃহা

হালাল উপার্জন ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনকে সমৃদ্ধ করে। উপার্জন স্বল্প হলেও তা শান্তি ও সাফল্য বয়ে আনে। বিপরীতে অবৈধ উপার্জন জীবন ও সম্পদের বরকত কমিয়ে দেয়। ব্যক্তি ও পারিবারিক সংকটের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ জন্যই আল্লাহ তাআলা ইসলামের বিভিন্ন বিধানের পাশাপাশি বৈধ উপার্জনের প্রতিও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। এমনকি

Thumbnail [100%x225]
আল্লাহর আনুগত্যে জীবনের নিরাপত্তা

সাধারণত পার্থিব জীবনে কাঙ্ক্ষিত বস্তু লাভকেই সাফল্য মনে করা হয়। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে সাফল্য যেমন বস্তুগত অর্জনে সীমাবদ্ধ নয়, তেমন তা শুধু পার্থিব জীবনে আবদ্ধ নয়; বরং ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের চূড়ান্ত সাফল্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যমে পার্থিব জীবনে নিরাপত্তা এবং পরকালীন জীবনে মুক্তি লাভ করা। ইহকাল ও পরকালের সেতুবন্ধ ইসলাম ইসলাম

Thumbnail [100%x225]
মুসলমানদের আশ্রয়স্থল নাজ্জাশি বাদশাহ

হাবশায় মুসলিমদের নিরাপদ জীবনযাপন মক্কার মুশরিকদের মর্ম বেদনার কারণ ছিল। নবুয়তের সপ্তম বছর তারা মুসলিমদের মক্কায় ফিরিয়ে আনতে বিপুল পরিমাণ উপঢৌকনসহ আমর ইবনুল আস (তখনো মুসলিম হননি) ও আবদুল্লাহ ইবনে আবু রাবিয়াকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠায়। সমকালীন আরবে বিচক্ষণ ও বাক-কৌশলে তাদের বিশেষ খ্যাতি ছিল। তারা নাজ্জাশিকে বলে, হে বাদশাহ, ‘আপনার দেশে আমাদের

Thumbnail [100%x225]
কোরআনে স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূলনীতি

মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করে যে ইসলামের শিক্ষা মেনে জীবনযাপন করলে একটা সুস্থ ও উন্নত জীবন লাভ করা যায়। পবিত্র কোরআন তিনটি জরুরি বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে। আর এই নির্দেশনার আলোকে মানবজীবন সুখময় এবং শান্তিময় করার নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। মানবজীবনের সফলতার জন্য যে তিনটি বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো হলো : ১. আধ্যাত্মিক। ২. মানসিক। ৩. শারীরিক স্বাস্থ্য।

Thumbnail [100%x225]
করোনাকালে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অজু

উচ্চারণ : ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।’ অর্থ : মহান আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, মহান আল্লাহর পবিত্রতা, যিনি শ্রেষ্ঠতর।’ উপকার : হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা বলা সহজ, আমলের পাল্লায় অনেক ভারী, আর আল্লাহর কাছেও অধিক পছন্দনীয়। সেটি হলো, ‘সুবহানাল্লাহি