ঢাকা, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, , ৬ জ্বিলক্বদ ১৪৪২
Reg:C-125478/2015

আইপিএলের বাকি অংশ হতে পারে শ্রীলঙ্কায়!


প্রকাশ: ৯ মে, ২০২১ ১৭:০৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫৯ বার


আইপিএলের বাকি অংশ হতে পারে শ্রীলঙ্কায়!

ক্রীড়া ডেস্ক: আইপিএলের ২৯টি ম্যাচ হওয়ার পরই স্থগিত ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই। প্লে-অফ এবং ফাইনালসহ মোট ৩১টি ম্যাচ বাকি। আইপিএলেরএই বাকি অংশ আয়োজনের জন্য উইনডো খুঁজছেন বলে জানিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। ভারতের বাইরে অন্য কোথাও এই ম্যাচগুলো আয়োজন করা যায় কি না সে সম্ভাবনাও খুঁজছেন তারা।

ভারতের বাইরে যে সব জায়গায় আইপিএলের বাকি অংশ আয়োজন হতে পারে, তার মধ্যে এগিয়ে রয়েছে দ্বীপদেশ শ্রীলঙ্কা। দেশটির চারটি স্টেডিয়াম রয়েছে, যেগুলোতে রয়েছে ফ্লাডলাইট সুবিধা। দেশটিতে করোনা সংক্রমণও কম। সহজে ভ্রমণ করা যায়।

সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কা মনে করছে, আইপিএলের বাকি অংশ আয়োজন করতে তারাই সবচেয়ে বেশি এগিয়ে এবং সক্ষম। প্রয়োজন শুধু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, বিসিসিআই’র রাজি হওয়া।

২০২০ সালেও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড আইপিএল আয়োজনের জন্য প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড শ্রীলঙ্কার চেয়ে এগিয়ে রেখেছিল আরব আমিরাতকেই। আরব আমিরাতকেই আগে থেকে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে তারা নির্ধারণ করে রেখেছিল। এবারও একই অবস্থা। যে কারণে ধারণা করা হচ্ছে, আইপিএলের বাকি অংশও অনুষ্ঠিত হতে পারে আরব আমিরাতেই।

তবে, এখনও এটা নিশ্চিত নয় যে, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিসিসিআইকে কোনো প্রস্তাব পাঠিয়েছে কি না। এসএলসির ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক অর্জুনা দা সিলভা শুধুমাত্র তাদের দেশে আইপিএল আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং সেটা আগামী সেপ্টেম্বরে।

চারটি ফ্লাডলাইট ভেন্যু হওয়াটা আইপিএলের জন্যও বিশাল সুবিধার। এই চারটি ভেন্যু হচ্ছে কলম্বোর খেত্তুরামা, পাল্লেকেলে, সুরিয়াউইয়া এবং ডাম্বুলা। এরমধ্যে প্রথম তিনটিই আইসিসির বড় টুর্নামেন্টের ম্যাচ আয়োজন করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।

গত বছর অক্টোবর-নভেম্বরে করোনা মহামারির মধ্যেই শ্রীলঙ্কা নিজেদের দেশের ফ্রাঞ্চাইজি লিগ আয়োজন করেছিল। এসব ভেন্যুতে বেশ ভালোভাবেই তারা ম্যাচগুলো আয়োজন করতে সক্ষম হয়।

যদি বিসিসিআই আইপিএল আয়োজন করার জন্য শ্রীলঙ্কাকে বিকল্প হিসেবে চিন্তা করেই, তাহলে তাদেরকে অবশ্যই করোনার উর্ধ্বগতি ভাবিয়ে তুলতে পারে। কারণ, গত সপ্তাহেই দেশটি দিনে ২০০০ করোনা আক্রান্তের রেকর্ড করেছে। অথচ, এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে এই পরিমাণটা ছিল ৩০০’র কাছাকাছি।


   আরও সংবাদ