ঢাকা, বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, , ২৫ জ্বিলহজ্ব ১৪৪২
Reg:C-125478/2015

পরীমনির স্কুলজীবনের বন্ধু অমি


প্রকাশ: ১৯ জুন, ২০২১ ১৬:৫৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৬১০ বার


 পরীমনির স্কুলজীবনের বন্ধু  অমি

মিডিয়া কর্নার: অমি ও পরীমনি ছিল স্কুলজীবনের বন্ধু। তার সঙ্গে কোনো পারিবারিক বা আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই।  

অমির বাবা জানান, অমির জন্ম ঢাকার আশকোনায়। সেখানেই বড় হয়েছেন। স্কুলজীবনে পরীমনির সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল। এর পর আর যোগাযোগ ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করে তিনি জানতে পারেন পরীমনির করা মামলায় অমিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

অমি কয়েকটি দেশের নাগরিক বলেও জানান বাবা তোফাজ্জল হোসেন। তিনি বলেন, অমি সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার নাগরিক। এ ছাড়া অমির রয়েছে ৭/৮টি দেশের পাসপোর্ট এবং সবই ভিসা লাগানো। ‘যদি আগে জানতে পারতাম পরীমনির মামলায় অমিকে গ্রেফতার করা হবে, তা হলে আগেই তাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিতাম।’  তিনি আরও বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেঁচে থাকলে কোনো চিন্তাই করতাম না। তিনি মারা যাওয়ার পর আমি অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছি।  

জানা গেছে, অমির বাবা এলাকায় তোফা হাজী বা আদম ব্যবসায়ী তোফা নামেই বেশি পরিচিত। টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার গুল্যা গ্রামে তার গ্রামের বাড়ি। ১৯৮৫ সালে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান তোফাজ্জল হোসেন। দেশে ফিরে আদম ব্যবসা শুরু করেন পেঙ্গুইন ট্রেনিং সেন্টারের মালিক মিজানের সঙ্গে। পরে এককভাবে তিনি আদম ব্যবসা শুরু করেন। 

ঢাকার আশকোনা এবং দক্ষিণখানে গড়ে তোলেন দুটি ট্রেনিং সেন্টার। সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে লোক পাঠাতে শুরু করেন। ৭/৮ বছর আগে হজ করার পর ব্যবসার দায়িত্ব ছেলে তুহিন সিদ্দিকী অমির হাতে ছেড়ে দেন।  

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন তোফাজ্জল হোসেন। এর পর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। 

প্রসঙ্গত ৯ জুন মধ্যরাতে সাভারে অবস্থিত ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ঘটনার চার দিন পর রোববার রাত ৮টার দিকে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এবং রাত ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনা প্রকাশ করেন নায়িকা পরীমনি। সোমবার সকালে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেন তিনি।

ওই দিনই প্রধান আসামি নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে মাদক ও ইয়াবা জব্দ করা হয়।


   আরও সংবাদ