ঢাকা, বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, , ২৫ জ্বিলহজ্ব ১৪৪২
Reg:C-125478/2015

অগ্রণীর সিবিএ নেতা মঙ্গল ডিউটি না করে ওভারটাইম


প্রকাশ: ২৬ জুন, ২০২১ ১৮:৩১ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪১৮ বার


  অগ্রণীর সিবিএ নেতা মঙ্গল ডিউটি না করে ওভারটাইম

অনুসন্ধানী রিপোর্ট: রাষ্টায়াত্ব অগ্রণী ব্যাংক লি: এর প্রধান কার্যালয়ের গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে ওভারটাইম নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ব্যাংক সূত্রে প্রকাশ, গাড়ি চালক মঙ্গল মিয়া দীর্ঘ দিন যাবত গাড়ি চালাচ্ছেন না অর্থাৎ তিনি আর চালকের দায়িত্ব পালন করছেন না। কারণ তিনি সিবিএর কার্যকরি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যাংকের সিবিএ সূত্রে জানা গেছে এক কালের গাড়ি চালক মঙ্গল মিয়া জয়নাল-নজরুলের আমলে পর পর তিন টার্ম সিবিএর কার্যকরি সভাপতি পদে নির্বাচিত হন।

অভিযোগ রয়েছে সিবিএর উক্ত পদে নির্বাচিত হওয়ার পরও দীর্ঘ দিন ধরে চালকের দায়িত্ব পালন না করেও চালক হিসেবে ব্যাংক থেকে ওভারটাইমের টাকা উত্তোলন করেন। এ ব্যাপারে অগ্রণী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কমন সার্ভিস ডিভিশন এর উপ মহাব্যবস্থাপকের বক্তব্য নেওয়ার জন্য অপরাধ চোখ হতে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে  ২৯ এপ্রিল, ২০২১ খ্রি: পত্র প্রেরন করা হয়।

উপ মহাব্যবস্থাপক উক্ত পত্রের কোন জবাব না দেওয়াতে পুণরায়  ০৭ জুন, ২০২১ খ্রি: কমন সার্ভিস ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক বরাবর বক্তব্য চেয়ে পত্র দেওয়া হয়। কমন সাভিস ডিভিশনের ডিজিএম ও জিএম উভয় অপরাধ চোখকে মৌখিকভাবে জানান যে, মঙ্গল মিয়া তাদের আমলে ওভারটাইম নেন নাই। আগে নিতেন। এতে স্পষ্ট যে, বর্তমান ডিজিএম ও জিএম এর আমলে ওভারটাইম না নিলেও পূর্বের আমলে তা নিয়েছেন। কিন্তু কাদের আমলে কত তারিখ থেকে ওভারটাইম নিয়েছেন ও কত টাকা নিয়েছেন তা তারা জানান নাই।

এদিকে বর্তমান ডিজিএম ও জিএম অপরাধ চোখকে একাধিকবার বলেছিলেন  অপরাধ চোখ থেকে পত্রের মাধ্যমে যে তথ্য চাওয়া হয়েছিল তা দেওয়া হবে। তবে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে অগ্রণী ব্যাংকের সিবিএর চাপে কমন সার্ভিস বিভাগের ডিজিএম ও জিএম অপরাধ চোখ থেকে যে তথ্য চাওয়া হয়েছিল তা দেওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ তথ্য সরবরাহের পথ রুদ্ধ করার জন্য সিবিএর কার্যকরি সভাপতি মঙ্গল মিয়া সিবিএ কে ব্যবহার করছেন ও অন্যায় প্রভাব খাটাচ্ছেন।

ডিউটি না করেও ব্যাংক থেকে ওভারটাইম নেওয়ার কোন বিধান ব্যাংকে আছে কি না এবং অগ্রণী ব্যাংকের কমন সার্ভিস ডিভিশনের কোন ডিজিএম বা জিএম এ অনৈতিক কাজে সহায়তা করেছেন তা অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে। চলবে।

 


   আরও সংবাদ