ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, , ১৩ সফর ১৪৪৩
Reg:C-125478/2015

বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন গঠন


প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:২২ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৮৬ বার


বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন গঠন


 

 

পরিবেশ ও জলবায়ু রক্ষায় এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত সোনার বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে""পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ১( " বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন  সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন" গঠন এবং  নয় মাসে বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত),২(বৃক্ষ ও পরিবেশ)" বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী, মাননীয় মন্ত্রীপরিষদ সচিব কাছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের   মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন তরুণ শিক্ষার্থী মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু)

 

 

 

 

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্ন এবং জনগণের আশা সোনার বাংলা । "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন"গঠন করে নয় মাসে বাংলাদেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত করে জাতির জনক এবং জনগণের স্বপ্ন পূরণের জন্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করেন কোয়ান্টাম কসমো কলেজের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতি শিক্ষার্থী মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু)। মহিউদ্দিন বন্ধুর "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ১( "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন" গঠন এবং নয় মাসে বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত)১,(বৃক্ষ ও পরিবেশ)২," বাস্তবায়নে এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত করে বিশ্বের দরবারে দেশকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। বাংলাদেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন বাস্তবায়ন এই উন্নয়নকামী প্রজেক্টটি প্রতিটি মানুষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ উন্নয়ন এবং নতুনত্বের ছোঁয়া পাবে। মহিউদ্দিন বন্ধুর স্বপ্ন বাংলাদেশ হোক পরিবেশ ও জলবায়ু এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হোক বিশ্বের রোল মডেল । আমাদের প্রিয় সোনার বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে সৌন্দর্যময় এবং মমতাময় স্থান। অন্যান্য দেশ থেকে আমাদের দেশে সফর এবং গবেষণা ,পরামর্শের জন্য আসবে। পূর্বপুরুষদের মত আমাদেরও থাকবে প্রাচুর্য, গলা ভরা গান, হৃদয় ভরা টান । পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বিশ্বাসের অংশ , দেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত থাকলে দেশের মানুষের মননে ও একটা পরিবর্তন আসবে এবং অনেক সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পাব। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে নতুন যুদ্ধে হোক ময়লা আবর্জনার বিরুদ্ধে, প্রতিটি ময়লা-আবর্জনা কে দেশের শত্রু মনে করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ফেলতে হবে। নয় মাসে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়- নয় মাসে বাংলাদেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বাস্তবায়নের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। বাঙালি জাতি জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্ন এবং জনগণের আশা ছিল সোনার বাংলাদেশ গঠন করা। কিন্তু যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলার ফলে বায়ু, পানি, মাটি দূষণ হয়ে আবহাওয়া ও দূষণ হয়ে যাচ্ছে। যেখানে সেখানে পলিথিন ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে মাটির গুনগত মান ও বাংলাদেশর সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। ফলে আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে দেশ বিপদের মুখে চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মাটি সোনার চাইতে খাটি। এই খাটি সোনা ধ্বংসের পথে। এই ময়লা আবর্জনা দূষণের ফলে আবহাওয়া পরিবর্তন রোগ-ব্যাধি প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে দেশের স্বাস্থ্য ব্যায় বেড়ে যাচ্ছে। যেখানে বাংলাদেশের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হওয়ার কথা সেখানে ময়লার গন্ধে নাক চেপে ধরে রাস্তা ঘাটে চলাচল করতে হচ্ছে। অনেকেই চিন্তা করতেছে টাকা পয়সা ইনকাম করে বিদেশে পাড়ি জমানোর। ঢাকা শহর সহ সমগ্র বাংলাদেশ দিন দিন বসবাস এর অনুপযোগী পথে চলে যাচ্ছে। যেখানে মানুষ বসবাস করতে পারবে না সেখানে অন্য উন্নয়ন গুলো অবমূল্যায়িত হবে। তার জন্য প্রয়োজন পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ১ (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত )" বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত করা। 

 

বর্তমান সময়ে বৃক্ষ নিধন সহ অন্যান্য কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বায়ু দূষিত হচ্ছে এতে স্বাস্থ্য সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্ষ নিধন রোধ এবং বৃক্ষরোপণের অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও যথাযথ এবং কার্যকরীভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। প্রতিটি মানুষ নানা পেশায় নিয়োজিত এবং ব্যস্ত। তাদের এই নিয়ে চিন্তা করার সময় নেই। তাই এ সমস্যা সমাধানে "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ২(বৃক্ষ ও পরিবেশ) " প্রজ্ঞাপন জারি/  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এতে জলবায়ু ও পরিবেশের অনেক উন্নয়ন সাধন হবে। "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ২(বৃক্ষ ও পরিবেশ)" মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে বৃক্ষরোপনের দায়িত্বটি শিক্ষার্থীদের দিতে হবে। গাছের দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে সমাজের দেশের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত হবে‌। শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপনের দায়িত্বের মাধ্যমে জলবায়ু ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, এতে সমাজের উপকার, দেশের উপকার বিশ্ববাসীর কল্যাণ হবে। শিক্ষা জীবন থেকে বৃক্ষরোপণ এর দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ পাবে। যেহেতু জনসংখ্যার বৃহৎ সংখ্যক শিক্ষার্থী, তাই প্রতিবছর বিশাল সংখ্যক গাছ রোপন হবে। বৃক্ষরোপন কার্যক্রম সফল হবে। জলবায়ু ও পরিবেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।পরিবেশ ও জলবায়ু রক্ষায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গৃহীত নীতিমালা এবং সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা,ইউনিয়ন পরিষদ এর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বিষয়ে নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তাই সবগুলোকে নির্দেশনা কে সমন্বয় করে পরিবেশ ও জলবায়ু রক্ষায় এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত সোনার বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ১,২," প্রজেক্ট কে সমৃদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি/প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জন্য স্মারকলিপি প্রদান করছি।বিশ্ব চক্রকারী অগ্রাসীরা প্লান বাস্তবায়নে বাধা দিতে পারে বলে মনে হচ্ছে। সকল বাধার বৃত্ত ভেঙ্গে সকলে মিলে দেশের কল্যাণে মানবতার কল্যাণে আমাদের পরিস্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। উক্ত প্রজেক্ট বাস্তবায়নে সরকারের পদক্ষেপ কামনা করছে শিক্ষার্থী মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু)।

 

বীজ থেকে চারা চেতনা-লামা কোয়ান্টাম কসমো কলেজের শিক্ষার্থী মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু )বাড়ি বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলায়।

করোনাকালীন সময়ে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিজ উপজেলায় অবস্থান করছে। এলাকার বাজার এবং অনন্য স্থান ও অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা দেখে স্থানীয় কিছু উদ্যমী তরুণকে সাথে নিয়ে পরিচ্ছন্ন আলীকদম, পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তৎপরতা চালায়।আলীকদম উপজেলায় কিছু স্বেচ্ছাসেবক সমন্বয় করে তিনটা বাজার পরিষ্কার করে এবং একটা বাজারে প্রতিটি দোকানে ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করে । কিন্তু পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা তারপরের দিন আবার ময়লা-আবর্জনা হয়ে যায়। এই থেকে শুরু হয় মহিউদ্দিনের অন্যরকম উদ্যোগ। এলাকায় এলাকায় পরিদর্শন, এবং সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে থেকে মতামত নেওয়া শুরু করে, কি করলে বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাংলাদেশ করা যায়? সমস্যা নিয়ে চিন্তা করতে করতে তৈরি করে পরিবেশ বন্ধু প্লান্ট প্রজেক্ট নামে দুটি প্রজেক্ট। জলবায়ু এবং পরিবেশ রক্ষা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাংলাদেশ এবং বিশ্ব গড়ার জন্য তার প্রজেক্ট ভূমিকা রাখতে পারে। মহিউদ্দিন পরিষ্কার-"পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাংলাদেশ বাস্তবায়নের কমিশন"গঠন করে নয় মাসে বাংলাদেশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাবনা পেশ করে যাচ্ছে।এই 

উদ্যমী তরুণ শিক্ষার্থী মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু) স্মারকলিপি প্রদান করেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী,বন ও পরিবেশমন্ত্রী,আইনমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের, সংসদ সদস্য মাধ্যমে মাননীয় স্পিকার কাছেও ,

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রজেক্ট

------------

পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ১(পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত )"

গঠন প্রক্রিয়া:

A1.পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডীত সোনার বাংলা গঠনের প্রত্যয়ে "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন" গঠন করে বিভাগীয়, জেলা,উপজেলা/থানা পর্যায় পর্যন্ত শাখা অফিস চালু করে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়নে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

A2. গঠিত "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন" দায়িত্ব হিসাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাংলাদেশ বাস্তবায়ন, উক্ত বিষয়ে উন্নয়ন গবেষনা, সমস্যা শনাক্ত করণ ,তদারকি, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাসিক রিপোর্ট পেশ ।

 

 

 

স্পেশাল একশন

B1.নয় মাসে বাংলাদেশ স্বাধীন, নয় মাসে বাংলাদেশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন বাস্তবায়ন করতে হবে।প্রথমে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সারাদেশে গঠিত "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন" স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার, প্রশাসন এবং সামরিক বাহিনীর সহযোগিতায় তৃণমূল পর্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করবে।

B2. স্পেশাল একশন হিসেবে-প্রতি বিভাগ থেকে ৩ মাসের জন্য একটি করে জেলাকে, পরবর্তী ৩ মাসের জন্য প্রতি বিভাগ থেকে দুইটি করে জেলাকে, তার পরবর্তী ৩ মাসের জন্য উক্ত বিভাগের বাকি জেলা সমূহকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন এর ক্ষেত্রে মডেল জেলা বাস্তবায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে। উক্ত সময় এক্সট্রা প্রশাসনিক কর্মকর্তা,কর্মচারী নিয়োগ এবং নিয়মিত মোবাইল কোর্ট এর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পুলিশ-বিজিবি,সামরিক বাহিনী (যৌথবাহিনী) সমন্বয় নিয়মিত টহল এবং একশন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

সচেতন কার্যক্রম

C1. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সচেতন কার্যক্রম হিসেবে ৯ মাস ধরে প্রতি মাসে একবার করে,দেশের সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সংগঠন, সকল সেবা মূলক, সমবায় প্রতিষ্ঠান সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায় প্রতিটি শাখা-পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত গঠনে করণীয় বর্জনীয় নিয়ম নীতি সম্পর্কে সভা সেমিনার আয়োজন করবে, এবং বাস্তবিক প্রয়োগ হিসেবে সেমিনার সভা শেষে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, যেখানে-সেখানে লাগানো ব্যানার পোস্টার তুলে ফেলা, ড্রেন পরিস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন)পরিচালনা করবেন।

C2. প্রত্যেক এলাকায় উক্ত অঞ্চলের সংগঠনগুলোকে "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন" কে মাসিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সেমিনার এবং অভিযান তারিখ জানাবে এবং প্রোগ্রাম শেষে কমিশনকে ছবি পাঠাতে হবে।কমিশন গোপনীয় পর্যবেক্ষণ প্রতিনিধি পাঠিয়ে যাচাই করবে। 

C3. কোন প্রতিষ্ঠান নয় মাসে প্রতি মাসে একটা করে সভা-সেমিনার এবং পরিষ্কার অভিযান কার্যক্রম আয়োজন না করলে জরিমানা, কমিটি বাতিল ঘোষণা, লাইসেন্স বাতিল, শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

C4. নয় মাস পর্যন্ত দেশের সকল সংবাদ পত্র ও টিভি চ্যানেল, রেডিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাংলাদেশ গঠনে করণীয় বর্জনীয়, উপস্থাপনা করে জনগণকে সচেতন করবে।

 

 

কার্যপ্রক্রিয়া

D1. "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন" এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার‌ এবং প্রশাসন‌ সহ সমাজের গুণীজনের (D4) সহযোগিতায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাংলাদেশ বাস্তবায়ন কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

D2. প্রতিটি জেলা এবং উপজেলা/থানা বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমণ্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন অফিসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার (উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন) দ্বারা এলাকা কমিটি/গ্রাম পরিষদ এবং বাজারের কমিটি কর্তৃক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচি তৃণমূল পর্যন্ত বাস্তবায়ন করতে হবে।

D3. এলাকা কমিটি/গ্রাম পরিষদ নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর এলাকার সবাই মিলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। শ্রম, অর্থ, মেধা পরিকল্পনা, যেকোন একটা দিয়ে হলে ও এলাকার প্রত্যেককে অংশগ্রহণ করতে হবে। (এতে সবার মধ্যে দেশপ্রেম সৃষ্টি হবে একে অপরের প্রতি মমতা বাড়বে। এলাকার যেকোনো সমস্যা সমাধানে সবাই মিলে একসাথে কাজ করতে পারবেন) । 

D4. বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন কর্তৃক সমাজের গুণীজন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন , সৌন্দর্যবর্ধন এবং পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন এমন সংগঠনের সদস্য ,সচেতন ব্যক্তিদের নিয়ে প্রত্যেক জেলা, উপজেলা/থানা, ইউনিয়ন/পৌরসভা, ওয়ার্ড ,এলাকা/গ্রাম, বাজার পর্যায় পর্যন্ত তদারকি ও গবেষণা বোর্ড গঠন করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। 

করণীয়

E1. প্রত্যেক বাড়ি, দোকান, প্রতিষ্ঠান, পরিবাহন, বাজার, এলাকায় ময়লা আবর্জনা রাখার জন্য দুই ধরনের ডাস্টবিন (ডাম্পিং পলিথিনসহ) থাকতে হবে। পচনশীল বর্জ্যের জন্য সবুজ ডাস্টবিন, অপচনশীল বর্জনের জন্য লাল ডাস্টবিন থাকতে হবে। অন্যতায় জরিমানা ব্যবস্থা করতে হবে।

E2. বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন কর্তৃক প্রত্যেক এলাকা ভিত্তিক ময়লা সংগ্রহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, পরিবহন ময়লা আবর্জনা প্রক্রিয়াকরণ,এর জন্য কর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে(নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে)।পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কর্মী যথাযথ দায়িত্ব পালন না করলে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির ব্যবস্থা করতে হবে।

E3.বিশেষ সিস্টেম- পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কর্মী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্য যথাযথভাবে সম্পন্ন করে আসার সময় যথাযথভাবে পরিস্কার করেছে এর প্রমাণস্বরূপ ঊক্ত অঞ্চলের কয়েকজন জনগণ, এলাকা/গ্রাম/বাজার কমিটির সদস্য এবং তদারকি ও গবেষণা বোর্ডের সদস্য এর স্বাক্ষর নিতে হবে। মন্তব্য এবং স্বাক্ষরকৃত পত্রটি নিয়মিত "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধনবাস্তবায়ন কমিশন" কে জমা দিতে হবে। (সরকারের সকল অফিস/প্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কর্মচারী ক্ষেত্রেও এই রকম সিস্টেম ব্যবস্থা করা যেতে পারে।)

E4.প্রত্যেক বাড়ি,দোকান, প্রতিষ্ঠান, বাজার,এলাকায় থেকে নিয়মিত ময়লাসংগ্রহ করে লোকালয় থেকে দূরবর্তী স্থানে পচনশীল আবর্জনাগুলো কে সার তৈরি এবং অপচনশীল আবর্জনা বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে।

E5. শিল্প কারখানা, রাসায়নিক বর্জ্য, মেডিকেল বর্জ্য, ই-বর্জ্য জন্য রিসাইকেলিং অথবা বিকল্প উত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নদী ,নালা ,সহ যেখানে সেখানে উক্ত বর্জ্য যে কোন অবস্থায় ফেলা যাবে না। সে জন্য বিশেষ একশন মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

E5. যেখানে সেখানে পোস্টার ব্যানার লাগানোর কারণে দেশের অনেক সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে । তাই নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কিছু স্থান নির্দিষ্ট করে দেওয়া। এর বাইরে কেউ পোস্টার ব্যানার লাগালে কতৃপক্ষ এবং জায়গার মালিক কে জরিমানা এবং শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেখানে-সেখানে লাগানো সকল ব্যানার পোস্টার অভিযানের মাধ্যমে তুলে সৌন্দর্য বর্ধন নিশ্চিত করতে হবে।

E6. কোন এলাকা দুর্যোগ বন্যা কবলিত হলে দুর্যোগ মুহূর্তে শেষ হওয়ার সাথে সাথে বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন বাস্তবায়ন কমিশন বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন নিশ্চিত করতে হবে।

E7. জলাবদ্ধতা দূর করতে এলাকা ভিত্তিক নিয়মিত ড্রেন/নালা গুলো সুন্দরভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে করে। প্রত্যেক রাস্তা রোডের পাশে ড্রেনের ব্যবস্থা করতে হবে। জলাবদ্ধতা সৃষ্টিরোধে অগ্রিম পরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণ করে রাখতে হবে। 

E8. পরিবেশ ছাড়পত্র ক্ষেত্রে যথাযথ তদারকি মাধ্যমে ছাড়পত্র প্রদানের ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। এবং নিয়মিত মডারেট করতে হবে। অন্যথায় যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া/মডারেট অবহেলা/অন্যায় ভাবে পরিবেশ ছাড়পত্র প্রদান করলে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জরিমানা ও সাময়িক বরখাস্ত সহ প্রমোশনের স্থগিত। পরবর্তীতে হলে চাকরি থেকে বরখাস্ত এবং জরিমানা ও শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণের করতে হবে।

 

একশন 

F1. রাস্তা/ড্রেন/নালা/নদী সহ কেউ যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেললে জরিমানা এবং শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।সর্বনিম্ন শাস্তি ১,০০০/= টাকা জরিমানা,অঙ্গীকারনামা জমা দিতে হবে। জরিমানা এবং শাস্তি গ্রহণের পর আবার রিপিট করলে জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে।

F2. ব্যক্তি, বাড়ি, দোকান,প্রতিষ্ঠান, বাজার কমিটি, এলাকা কমিটি/গ্রাম পরিষদ জন্য পৃথক জরিমানার অ্যামাউন্ট নির্ধারণ করতে হবে।

F3. কেউ যেখানে সেখানে ময়লা ফেললে, কোন ভূমি, বাড়ি, দোকান এবং দোকানের সামনে, পরিবহন, প্রতিষ্ঠান অপরিষ্কার অথবা ময়লা-আবর্জনা থাকলে মালিক কে বাজার কমিটি / গ্রাম পরিষদ / এলাকা কমিটি, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার,প্রশাসন,বাংলাদেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন বাস্তবায়ন কমিশন এবং কমিশন কর্তৃক গঠিত তদারকি ও গবেষণা বোর্ড, নিয়মিত মোবাইল কোর্ট জরিমানা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

F4. কোন বাজার, কোন গ্রাম/এলাকা কাঙ্খিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকলে প্রশাসন/বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন বাজার কমিটি/গ্রাম পরিষদ/এলাকা কমিটিকে জরিমানা করবে । স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার এবং বাজার কমিটি, গ্রাম পরিষদ/এলাকা কমিটি সমন্বয়ের এলাকার প্রত্যেকটা পরিবার/দোকান থেকে অর্থ কালেক্ট করে জরিমানার টাকা পরিশোধ করবে। অথবা কমিটির ফান্ড থেকে কমিশনকে জরিমানা পরিশোধ করবেন । 

F5. জরিমানা এবং মোবাইল কোর্ট করে অর্থ বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বাস্তবায়ন কমিশন ফান্ডে জমা হবে।জরিমানার অর্থ একটা অংশ অভিযোগকারী, জরিমানা এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী দায়িত্বশীলের জন্য।আরেকটি অংশ উক্ত অঞ্চলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন কাজের সমৃদ্ধি জন্য উক্ত অঞ্চলের বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন বাস্তবায়ন কমিশন ফান্ডে জমা হবে।আর বাকি অংশটি বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন এর কেন্দ্রীয় ফান্ডে জমা হবে।

 

 

F6.ভূমি, বাড়ি, দোকান এবং দোকানের সামনে, প্রতিষ্ঠানে ময়লা আবর্জনা অপরিষ্কার থাকলে প্রথমে উক্ত মালিক কে জরিমানা শাস্তিমুলক ব্যবস্থা করা হবে। নির্দিষ্ট কিছু সময় পর কমিশন জরিমানা কৃত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবার তদারকি করবেন, যদি আবার অপরিষ্কার, ময়লা আবর্জনা থাকে তাহলে ডবল জরিমানা করবে ,কমিশন কর্তৃক উক্ত স্থান পরিষ্কার করে নিবেন। কমিশনের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন এর ব্যয় মালিকে পরিশোধ করবে।(সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের বেতন/ফান্ড থেকে কর্তন করে কমিশনের ফান্ডে জমার ব্যবস্থা করতে হবে। পরবর্তীতে প্রমোশন স্থগিত করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।)

F7. কার্যক্রম যথাযথ বাস্তবায়ন এর জন্য সাপ্তাহিক সামরিক বাহিনীর টহল দিয়ে প্রত্যেক এলাকায় চেক করবে। নয় মাস পর মাসে একবার সামরিক বাহিনী টহল। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন যথাযথ বাস্তবায়ন হলে চার মাস অন্তর অন্তর সামরিক বাহিনীর টহল চালু রাখতে হবে। সামরিক বাহিনীর টহল সময়ে এলাকা ভিত্তিক সমস্যাগুলো নোট এবং একশন নিবে। সমস্যার নোটগুলো কমিশনকে জমা দিবে। এবং একটি কপি সামরিক বাহিনীর জোন কাছে থাকবে। পরবর্তীতে সামরিক টহলের সময় সমস্যার পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করবে।(সামরিক বাহিনীর টহলের কারণে অন্যান্য অপরাধমূলক সমস্যা গুলো কমে আসবে)            

F8. "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন"এর প্রত্যেক কাজ এবং ব্যয় এর সম্পূর্ণ হিসাব এর মাসিক রিপোর্ট পেশ করবেন। কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারী দুর্নীতি জড়িয়ে পড়লে চাকরি থেকে সাসপেন্ড সহ জরিমানা এবং শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

উদ্যোগ গ্রহণ

G1.নদী/নালা থেকে ময়লা আবর্জনা উত্তোলন, পানি পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ থাকার জন্য উন্নত দেশের মতো দেশের জন্য উপযুক্ত ড্রেজিং মেশিন দিয়ে নদী/নালার ময়লা আবর্জনা নদী/নালা থেকে নিয়মিত তুলে ফেলতে হবে। নদী/লেক/সমুদ্রের পাশে মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।, গাছপালা রোপন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন করে সৌন্দর্যময় দৃষ্টিনন্দিত গড়ে তুলতে হবে। উক্ত স্থান জগিং হাঁটাচলা, পর্যটন এবং বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

G2. ময়লা আবর্জনা খায় এমন মাছ নদী নালায় পোনা ছাড়া/চাষের ব্যবস্থা করতে হবে। দূষিত নদী নালার পানি স্বচ্ছ এবং পরিশোধনে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ‌

G3. প্রত্যেক এলাকা/বাজারে টেকসই সম্পন্ন পাবলিক টয়লেট,টিউবওয়েল ও বেসিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাম পরিষদ/এলাকা কমিটি, বাজার কমিটি এর মাধ্যমে নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং মেরামতের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যতায় কমিটিকে জরিমানা করতে হবে।

G4. প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুটিনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর বয়স থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মানসিকতা সৃষ্টি হবে। 

G5. সৌন্দর্য বর্ধনের লক্ষ্যে এবং জটিলতা নিরসনে দেশের সকল বিদ্যুতিক তার,অন্য তার মাটির নিচে প্রবাহের ব্যবস্থা করতে হবে।

G6. পানি, বায়ু,মাটি প্রাকৃতিক দূষণ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং একশন অব্যাহত রাখতে হবে।

G7. প্রত্যেক এলাকায় ওয়াসা লাইন/গ্যাস লাইন/বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবেই তৈরি করতে হবে।পরিকল্পিত নগরায়ন/গ্রাম ব্যবস্থা জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

G8. বাংলাদেশর প্রতিটি এলাকা যাতে বিশ্বের সবচেয়ে পরিবেশসম্মত সৌন্দর্যবর্ধন ও দৃষ্টিনন্দন বাস্তবায়ন এর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।তাই কমিশন কর্তৃক পরিবেশসম্মত সৌন্দর্যবর্ধন ও দৃষ্টিনন্দন জন্য বিভিন্ন কোম্পানি/প্রতিষ্ঠান কে এলাকা ভিত্তিক দায়িত্ব/টেন্ডার দেওয়া যেতে পারে।কাজ নিয়মিত তদারকি এবং যাচাই-বাছাই এর ব্যবস্থা করতে হবে।

G9. বিশ্ববিদ্যালয়,গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কে পরিবেশসম্মত পণ্য ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন, এবং পণ্য এবং প্রযুক্তিকে পরিবেশসম্মত কনভার্ট এর জন্য উদ্বুদ্ধ এবং পুরস্কারের ব্যবস্থা করতে হবে। বিশেষভাবে পরিবেশসম্মত পণ্য এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রচলনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যেমন-সোলার বিদ্যুৎ,সাগরে টারবাইন, পাটের ব্যাগ,

G10. প্রত্যেক থানার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা ভিত্তিক সিসি ক্যামেরা মোতায়েন ব্যবস্থা এর প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং জরিমানা ব্যবস্থা যথাযথ বাস্তবায়ন হবে। এবং চুরি সন্ত্রাসী, মাদক, ট্রাফিক সহ অনেক সমস্যা সমাধান সহজ হবে।                                 

G11. দেশে কর্মরত এনজিওগুলোকে লক্ষ্য যেহেতু দেশের মানুষের উন্নয়ন করা সাধন করা। তাই এনজিওগুলোর ব্যয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি অংশ বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যবর্ধন বাস্তবায়নের জন্য ফান্ডিং করার সুযোগ করে দিতে হবে।

G12.দেশের সৌন্দর্যমন্ডিত নষ্টের প্রধান কারণ অপর অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং সরকারি রাস্তাঘাট এবং প্রজেক্ট বাস্তবায়নের দুর্নীতি ।উক্ত সমস্যা সমাধানের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি রাস্তা , ব্রিজ, প্রজেক্ট নষ্ট হয় তাহলে প্রজেক্ট বাস্তবায়ন কতৃপক্ষ সহ বাস্তবায়ন/যাচাই/তদারকি তে জড়িত সকল সদস্যবৃন্দকে জরিমানা এবং সাসপেন্ড ব্যবস্থা করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উক্ত রাস্তা, ব্রিজ, প্রজেক্ট দায়িত্বরত বাস্তবায়ন কতৃপক্ষকে সম্পূর্ণ বাজেটের অর্থ সরকারকে প্রদান করতে হবে । এবং কতৃপক্ষকে শাস্তিস্বরূপ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টেকসই রাস্তা, ব্রিজ, প্রজেক্ট আবার পুনরায় সুন্দর করে দিতে হবে।

G13.জরিমানার অর্থ আদায়ের জন্য সহজ সিস্টেম হিসেবে ব্যাংক/অনলাইন ব্যাংক/রিজার্ভ এর টাকা থেকে কর্তন সিস্টেম করা যেতে পারে। টাকা কর্তন পর উক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ/মেসেজ প্রেরণের ব্যবস্থা করতে হবে। যাদের অ্যাকাউন্ট নেই/আ্যকাউন্টে টাকা নেই তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে।

G14. কমিশন গঠন/ নীতিমালা/প্রজ্ঞাপন ঘোষণার একমাস পর্যন্ত জরিমানা এবং শাস্তি সাধারণ রাখা হয়, কারণ ঐ একমাস সংশোধন/প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। একমাস পর থেকে শাস্তি ও জরিমানা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা।

 

পুরস্কার ও সম্মাননা

H1. নয় মাস পর তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত" স্বপ্নের বাংলাদেশ "প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে।

 

H2."স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায়" (i)পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন,(ii)পরিবেশসম্মত সৌন্দর্যবর্ধন,(iii) সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এর উপর ভিত্তি করে (ক) মডেল বাড়ি(খ) মডেল দোকান(গ) মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(ঘ) মডেল প্রতিষ্ঠান[সরকারি/বেসরকারি](ঙ) মডেল বাজার(চ)মডেল গ্রাম/এলাকা(ছ) মডেল ওয়ার্ড(জ) মডেল ইউনিয়ন/পৌরসভা(ঝ) মডেল উপজেলা/থানা(ঞ) মডেল সংসদীয় আসন(ট) মডেল সিটি কর্পোরেশন(ঠ) মডেল জেলা(ড) মডেল বিভাগ(ঢ) জাতীয় মডেল (জাতীয় পর্যায়ে) পুরস্কার বিতরণ এবং বিজয়ী মডেল অঞ্চলগুলোতে বাজেট, প্রণোদনা একটু বেশি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তাছাড়া বিজয়ী মডেল অঞ্চলে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের প্রতিনিধি, "বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন"এবং কমিশন কর্তৃক গঠিত তদারকি এবং গবেষণা বোর্ড , প্রশাসন,সামরিক টহল জোন, এর জন্য স্পেশাল সম্মাননার ব্যবস্থা করতে হবে। 

H3. কোন অঞ্চল স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় নিম্নতর স্কোর/কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে উক্ত অঞ্চলে বাজেট,প্রণোদনা কমিয়ে দিতে হবে।স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের যে প্রতিনিধি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির লক্ষ্য মাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হলে /অবহেলা করলে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ ব্যবস্থা করতে হবে। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সকল মনোনয়ন/দায়িত্ব পালনের সুযোগ বন্ধ থাকবে।কমিশন অফিসার এবং কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট অর্জন করতে না পারলে চাকরি থেকে অব্যাহতির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ক্ষেত্র নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রমোশন স্থগিত করতে হবে।

সমৃদ্ধ 

I1."বাংলাদেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডীত বাস্তবায়ন কমিশন"এর গবেষক টিম উন্নত বিশ্বের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, পরিবেশসম্মত সৌন্দর্যবর্ধন,সিস্টেম/ব্যবস্থা, গুলোকে যাচাই করে দেশের জন্য উপযোগী সিস্টেম / প্রজেক্ট সমূহ "পরিবেশবন্ধু প্ল্যান প্রজেক্ট ১" সংযোজন করে উক্ত প্রজেক্টটি আরো সমৃদ্ধ করে বাংলাদেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যবর্ধন সমৃদ্ধ এবং মুগ্ধময় করার জন্য অনুরোধ করছি।

 

 

"পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ২(বৃক্ষ ও পরিবেশ)" 

 

কার্যক্রম ১

A1. শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রতিটি জেলা এবং উপজেলা /থানায় "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ২(বৃক্ষরোপণ)" বাস্তবায়ন কমিটি গঠন।(অথবা সবচেয়ে ভালো মনে হচ্ছে বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমণ্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন এর শাখা হিসেবে "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ২" বাস্তবায়ন কমিটি হিসেবে কাজ করবে)

A2. দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, মাদ্রাসা, কারিগরি, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষার্থীরা ভর্তি হওয়ার সময় এবং নতুন ক্লাসে/ইয়ার চেঞ্জ উত্তীর্ণ হওয়ার সময় স্বল্পমূল্যে গঠিত কমিটি মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্বারা শিক্ষার্থীর পছন্দমত একটি করে গাছের চারা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

A3.গঠিত কমিটি জেলা এবং উপজেলা/থানার পরিবেশ এবং মাটি উপযোগী গাছের তালিকা প্রণয়ন করে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পছন্দের গাছের তালিকা গঠিত কমিটি কে প্রেরণ করে উক্ত গাছ সমূহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসবে এবং শিক্ষার্থীদের বিতরণ করবেন।

A4. গঠিত কমিটি মাধ্যম প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্চা এবং সৌন্দর্যবর্ধন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিবে।

A5. যেসব শিক্ষার্থীদের ভূমি নেই তারা গাছের চারা পছন্দের ক্ষেত্রে বাড়ির ভিতরে/জানালায়/বাড়ির ছাদে পরিচর্যা করা যায় এমন গাছের নাম দিবেন।(বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে)

 

কার্যক্রম ২

B1. গঠিত "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট২" বাস্তবায়ন কমিটি এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের সহযোগিতায় সম্পূর্ণ জেলা এবং উপজেলা/থানার প্রতিষ্ঠানসমূহকে উক্ত অঞ্চলের রাস্তা পাশ, নদীর পাশ, সরকারি ভূমি, সরকারি প্রতিষ্ঠান, ও অনন্য জায়গা পরিকল্পিতভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে বৃক্ষরোপণ এবং বৃক্ষ পরিচর্যা এর জন্য ভাগ করে দিতে হবে । B2. গঠিত কমিটি,প্রশাসন ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার, সহযোগিতায়-প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতি মাসে অথবা তিন মাস অন্তর অন্তর একদিনকরে গঠিত কমিটি বরাদ্দকৃত এলাকায় বৃক্ষরোপণ এবং বৃক্ষ পরিচর্চা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। অন্যথায় প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা এবং শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পুরস্কার এবং সম্মাননা

C1. জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ, জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা, ও অনন্য প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ বৃক্ষরোপন ও পরিচর্যা জন্য একটা "পরিবেশবন্ধু "ইভেন্ট সংযোজন করতে হবে। 

C2. "পরিবেশবন্ধু প্ল্যান প্রজেক্ট ২ "বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালনকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে পুরস্কারের ব্যবস্থা করতে হবে।

C3. জাতীয়ভাবে শ্রেষ্ঠ ১০টি জেলা এবং উপজেলা/থানা "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট২" বাস্তবায়ন কমিটি কে পুরস্কার ব্যবস্থা করতে হবে।

সিস্টেম

D. পরীক্ষার ব্যবহারিক অংশে গাছ রোপন ও বৃক্ষপরিচর্যা জন্য নাম্বার বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক রেজাল্ট মার্কশিটে কয়টি গাছ রোপন করেছেন এটা উল্লেখ থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। PSC পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণী থেকে PSC পরীক্ষা পর্যন্ত কয়টি গাছ লাগিয়েছে তা মার্কশিট থাকবেন,JSC,SSC,HSC, অনার্স, মাস্টার্স, প্রত্যেক এক্সাম মার্কশিট গাছের সংখ্যা উল্লেখ থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।(যখন শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বৃক্ষ নিবে এবং বৃক্ষরোপণ করবেন তা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জেলা শিক্ষা অফিসে তালিকা প্রেরণ করবে। যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর উক্ত তালিকা শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন নাম্বারে অনলাইনে এন্টি হবে)

সমৃদ্ধ

E. কেন্দ্রীয় "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট ২ "বাস্তবায়ন কমিটি গবেষক টিম গঠন করে "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট " কে আরও সমৃদ্ধ করার অনুরোধ রইলো।

বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ:

1. "পরিবেশবন্ধু প্ল্যান প্রজেক্ট ১"প্রস্তাবিত বাংলাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বাস্তবায়ন কমিশন" কে সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নানুর তত্ত্বাবধানে কমপক্ষে কয়েক বছরের জন্য রাখার জন্য অনুরোধ করছি। (তাহলে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে মনে হচ্ছে)

২. জলবায়ু পরিবেশ রক্ষায় এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যমন্ডিত বিশ্ব তৈরি করার জন্য প্রতিটি দেশকে কাজ করতে হবে, তাই বিশ্ব জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষায় পৃথিবীর প্রতিটি দেশে "পরিবেশবন্ধু প্লান প্রজেক্ট১,২ "(অর্থাৎ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সৌন্দর্যবর্ধন এবং শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণ এর দায়িত্ব ) বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার কাছে বিনীত অনুরোধ জাতিসংঘ বিষয়টি উপস্থাপন এবং প্রতিটি দেশে বাস্তবায়নে প্রস্তাবনা পেশ করার জন্য জন্য আকুল আবেদন করছি।

 

 

 

 

 

সংযুক্তি

1. চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান মুহূর্তের ছবি

2. স্মারকলিপির রিসিভ কপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী, মাননীয় মন্ত্রীপরিষদ সচিব

3. বিগত সময়ে মাঠ পর্যায়ে কাজের ছবি

4. সম্পন্ন স্মারকলিপি (পিডিএফ)


   আরও সংবাদ