ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, , ৫ জ্বিলহজ্ব ১৪৪৩
Reg:C-125478/2015

ধান কাটা মাড়াই শ্রমিক সংকটে বোরো ধান চাষীরা দিশেহারা

নিজস্ব প্রতিবেদক


প্রকাশ: ৮ মে, ২০২২ ১৪:২৫ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৩১ বার


 ধান কাটা মাড়াই শ্রমিক সংকটে বোরো ধান চাষীরা দিশেহারা

 

বাবুল আকতার,সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর জেলার সীমান্তবর্তী সাপাহার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জবই বিল এলাকার বোরো চাষীরা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া,আকাশে গাড় ঘনকালো মেঘের ঘনঘাটার মাঝে ধান কাটা মাড়াই কাজের কামলা সংকটে মাঠের পাকা বোরো ধান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে । শেষ পর্যন্ত মাঠের ধান সুষ্ঠভাবে ঘরে তুলতে পারবে কিনা তা নিয়েও তাদের মনে এক অজানা শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বোরো চাষাবাদের প্রাক্কালে সাপাহার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জবই বিল জুড়ে পানি থাকায় এই অঞ্চলে বোরা ধান রোপন করতে প্রতিবছর কৃষকের একটু দেরী হয়। সে মতে এখানকার ধানও কাটা মাড়াই অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় একটু পরেই হয়ে থাকে।

জবই বিল এলাকার মাঠের ধান পরিপক্ক হতে একটু দেরী হওয়ায় সাপাহার উপজেলার ধান কাটা শ্রমিকগন দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটার কাজে লেগে পড়েছেন। বর্তমানে জবই বিল এলাকার মাঠের ধান কলা পাকা হয়ে ওঠায় কৃষকগন ধান কাটার জন্য প্রস্তুতি নিলে চরম কামলা/শ্রমিক সংকটে পড়েন। এছাড়া প্রায় প্রতিদিনই আকাশে কাল মেঘের ঘনঘাটা ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সংবাদে ক্ষেতের ধান নিয়ে কৃষকগন দারুন শংকিত হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে প্রত্যেক কৃষকগন নিজেদের ধান নিজে কাটছে। এলাকার ছাত্র, শিক্ষক সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এখন ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সাপাহারে প্রতি ১’শ মন ধান কাটার মজুরী হিসেবে শ্রমিকরা পাচ্ছেন ২০ থেকে ২৫মন ধান। উপজেলার মালিপুর গ্রামের কৃষক আলমগীর

হোসেন, আব্দুল জলিল,বাখরপুর গ্রামের লোকমান, জবই গ্রামের কৃষক আব্দুল মালেক,শফিকুল,আশরাফুল জানান বর্তমানে এই এলাকায় ধান কাটা শ্রমিক সংকট হওয়ায় আমরা নিজেরাই নিজেদের ক্ষেতের ধান কাটা মাড়াই শুরু করেছি। সাপাহার উপজেলার জবই বিল এলাকা নিচু জমি হওয়ায় যে কোন মহুর্তে ঢলের পানিতে সমস্ত ধান তলিয়ে যেতে পারে এই আশঙ্কায় তারা মাঠ থেকে আধাপাকা ধান কেটে নিচ্ছে। সাপাহার উপজেলা কৃষি দপ্তরের মতে জবই বিল এলাকা সহ উপজেলায় এবারে ৫ হাজার ৮’শ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ হয়েছে। ৭০ থেকে ৮০ভাগ পাকা ধান মাঠ থেকে কেটে নেয়ার জন্য কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের উপদেশ ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে বলে উদ্ভিদ ও প্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তা আতাউর রহমান সেলিম জানিয়েছেন।


   আরও সংবাদ